শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর এই অলৌকিক ক্ষমতার কথা জানতেন।


আমরা সকলেই  শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর কথা জানি।বর্তমানে সময়ে এই মহান মানব সৃষ্ট হরিণাম সঙ্গীত  দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে  পৃথিবীর না না দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা সন্ধান করলে জানতে পারব হরিণাম সংকীর্তন কথাটি বিদেশেও শোনেননি এমন মানুষের সংখ্যা অনেক কম।

 শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবন নিয়ে হয়েছে নানা গবেষণা । আজও অনেক ঐতিহাসিক এই বিষয়ে গবেষণা চালাচ্ছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি প্রকৃত মৃত্যু রহস্য। আবার  অনেক চৈতন্য গবেষক আমাদের জানিয়েছেন, অষ্টাদশ দশকে ইসলাম ধর্মের বাড়বাড়ন্ত রুখতে চৈতন্য মহাপ্রভুর পদক্ষেপ ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আজ আমরা জানব চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনের কিছু আশ্চর্য ঘটনা, যা আপনাদের শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুকে জানতে সাহায্য করবে  ।

প্রথমেই বলে রাখি, শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু জন্ম গ্রহণ করেন ১৪৮৫ সালে, সেই সময়কার বাংলার রাজধানী নবদ্বীপ ধামে।বাল্যে তাঁর নাম ছিল নিমাই। পরবর্তী সময়ে সন্ন্যাস গ্রহণ করলে নতুন নাম হয় 'শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য'। ভক্তরা ওনাকে 'প্রভু' 'মহাপ্রভু' বলে ডাকতেন।

চৈতন্য মহাপ্রভু ছিলেন অন্তর্যামী অর্থাৎ অপরের মনের কথা  জানতে পারতেন। এই সম্বন্ধে একটি ঘটনার কথা আপনাদের জানাব-

চৈতন্য দেবের সাথে সাক্ষাত করার জন্য সুদূর বৃন্দাবন থেকে নবদ্বীপ ধামে এসেছেন সনাতন নামে এক ব্যাক্তি।সারা দেহে খোস পাঁচড়া নিয়ে রোগ যন্ত্রণায় কাতর হয়ে তিনি মনে মনে স্থির করেছেন চৈতন্য দেবের সাথে দেখা করে আগামী রথযাত্রায় রথের চাকার তলায় আত্মহত্যা করবেন।

একদিন চৈতন্যদেবের সাথে সনাতন  গল্প করছিলেন। সেই সময় চৈতন্য দেব,  সনাতনকে বললেন - সনাতন, আত্মহত্যার সংকল্প ত্যাগ কর। আত্মহত্যা মহাপাপ। এতে কখনো কৃষ্ণ প্রাপ্তি হয়না।

অবাক হয়ে গেলেন সনাতন। আত্মহত্যা করার কথা কাউকে জানাননি। তাহলে কী করে চৈতন্য দেব এই কথা জানলেন। এই ভাবেই অপরের মনের কথা জানতে পারতেন চৈতন্য মহাপ্রভু।

এর কিছুদিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলেন সনাতন । এর জন্য কোনো চিকিংসা করতে হয়নি।এবং আত্মহত্যার ভূত মাথা থেকে একদম মুছে যায়

   


(বিঃ দ্রঃ- গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে আমাদের আপস ডাউনলোড করুনDOWNLOAD NOW)

শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর এই অলৌকিক ক্ষমতার কথা জানতেন। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর  এই অলৌকিক ক্ষমতার কথা জানতেন। Reviewed by TIMES OF MORNING on February 05, 2018 Rating: 5
Powered by Blogger.