আচার্য শঙ্করাচার্যের দয়ায় ব্রাক্ষ্মণ পরিবারটির দুঃখমোচন হল।


আচার্য শঙ্কর ৭৮৮ খ্রীঃ এর বৈশাখী শুক্লা পঞ্চমীতে কেরালার কালডি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তবে শঙ্করাচর্যের জন্ম তারিখ নিয়ে অনেক পণ্ডিতের মধ্যে মতভেদ আছ,।অনেকে মনে করেন ৬৮৬ খ্রীঃ এর ১২ বৈশাখী শুক্লা তৃতীয়া'য় শঙ্করাচার্য জন্ম গ্রহণ করেন ।

তিন বছর বয়সে শঙ্করের পিতৃবিয়োগ ঘটে।এবং আট বছর বয়সে তিনি সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করে গৃহত্যাগ করেন।তিনি ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রমণ করেন। এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে শিব মন্দির ও মঠ  স্থাপন করেন। শঙ্করের জ্ঞান ও বুদ্ধির কাছে দেশ ও বিদেশের ধর্মীয় নেতারা হার মানেন। বিভিন্ন বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের আচার্যগণকে পরাস্ত করে বৈদিক ব্রাক্ষ্ণণ্য ধর্মের বিজয় পতাকা পুনরুড্ডীন করেন।

একদিন শঙ্করাচার্য ভিক্ষায় বেরিয়ে এক দরিদ্র ব্রাক্ষণের গৃহদ্বারে উপস্থিত হলেন। তিনি ব্রাহ্মণ পত্নীর কাছে ভিক্ষা প্রার্থনা করলেন। ব্রাক্ষণী পড়লেন মহা বিপদে কারণ সেদিন তাঁর গৃহে একটি আমলকি ছাড়া ভিক্ষা দেবার মত কিছুই ছিল না। অগত্যা সেইটি শঙ্করের হাতে দিয়ে ব্রাক্ষণী কাঁদতে কাঁদতে নিজেদের দুঃখের কথা  জানালেন।শঙ্কর তংক্ষণাং একটি দারিদ্রনাশিনী লক্ষ্মী দেবীর স্তব রচনা করেন ব্রাক্ষ্মণ পরিবারটির দারিদ্র দূর করার জন্য। তারপর শঙ্কর ফিরে গেলেন।

পরদিন সকালে ব্রাক্ষ্মণী ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলে যা দেখলেন তাতে তার চোখ কপালে উঠে গেল।ব্রাক্ষ্মণী দেখলেন সারা উঠানে প্রচুর সোনার আমলকী ছড়ানো রয়েছে। এরকমই আশ্চর্য ক্ষমতা ছিল শঙ্করাচার্যের।



(বিঃ দ্রঃ- গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে আমাদের আপস ডাউনলোড করুনDOWNLOAD NOW)

আচার্য শঙ্করাচার্যের দয়ায় ব্রাক্ষ্মণ পরিবারটির দুঃখমোচন হল। আচার্য শঙ্করাচার্যের দয়ায় ব্রাক্ষ্মণ পরিবারটির দুঃখমোচন হল। Reviewed by TIMES OF MORNING on February 14, 2018 Rating: 5
Powered by Blogger.